বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড এর চাকরি করে রফিক বিডিআর এখন শতকোটি টাকার মালিক
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড সৈনিক পদে চাকরি করে রফিক বিডিআর নামে পরিচিত এখন শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন ।
ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের ঠাকুরগাঁও ২ আসনের এমপি দবিরুল ইসলাম ও উপজেলার চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় গ্রামে , শহরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে একাধিক জমি বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট বাড়ি, ব্যবসা বাণিজ্য সহ অঢেল সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। তার বন্ধুবান্ধব এবং এলাকার মানুষজন এখন বলছেন, এই দুর্নীতিবাজ ও প্রভাবশালী রফিক বিডিআর এর হাতে জাদুর চেরাগ ছিল।
জানা গেছে, রফিক ইসলাম বিডিআর যখন তিনি চাকরিতে যোগদান করেন তখন বিডিআর এর বেতন খুবই কম ছিল। এখন তিনি অঢেল সম্পত্তির মালিক ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় রয়েছে তার ৬তলা ভবন। অথচ তার সারা জীবনের চাকরি হতে আয়কৃত অর্থের পরিমাণ হিসাব করলে প্রায় ৯৫ লাখ টাকার মত হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার পরিচিতজনেরা জানান, এই দুর্নীতিবাজ রফিক বিডিআর কৃষক বাবার ছেলে চলার মত জমি রয়েছে। এখন অঢেল সম্পত্তি গড়ে তোলার খবর গ্রামের লোকজনের মাঝে নানা প্রশ্ন জেগেছে।
তারা বলছেন, রফিক বিডিয়ারের কাছে কি জাদুর কাঠি আছে। রফিক বিডিয়ারের গ্রামের বাড়ি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি তার আত্মীয়-স্বজন শ্বশুরবাড়ি থেকেও কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা পাননি। তাহলে এতো সম্পদের মালিক হলেন কিভাবে ? সেই প্রশ্নের জবাবে তার পরিচিতজনেরা বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পালিয়ে যাওয়া মন্ত্রী, এমপিদের সহযোগিতায় অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ আয়ের মাধ্যমেই তিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় রফিক বিডিআর ঠিকাদার কাজ করতেন এবং উনি উপজেলা মডেল মসজিদের কাজ করেছিলেন যে মডেল মসজিদে বরাদ্দ ১৫ থেকে ১৭ কোটি টাকা যে হারে মডেল মসজিদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল সে হারে মডেল মসজিদের কাজ হয়নি অর্ধেক টাকা দুর্নীতি করা হয়েছে। নাম প্রকাশের অনিশ্চিত একজন বলেন মডেল মসজিদটি যেভাবে কাজ করেছেন বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে এবং দরজা-জানলা কারেন্টের বাতি এবং নর্মাল সিমেন্ট নরমাল ইট যেকোনো সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে এত টাকা মসজিদের বাজেট এ টাকা গুলো গেল কোথায়
এলাকাবাসী বলেছেন রফিক বিডিআর চাকরি শেষ করে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন আওয়ামী লীগে যোগদান করে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা ভোগ করেন এবং বিভিন্ন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন এবং ভয়-ভীতি দেখিয়েছেন তার ভয়ে ছিল সাধারণ মানুষ। সে ছিল একজন সৈনিক সে বিডিয়ারের চাকরি করে এত টাকার মালিক কিভাবে হল স্থানীয় জনগণ সহ সাধারণ মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এবং ঠাকুরগাঁও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী
রফিক বিডিআর এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি
হঠাৎ উনার ছয় তলা বিল্ডিং এর ভবনে সামনে দেখা হয়ে গেল উনি কোন সাক্ষাৎকার দিবেন না উনি এই কথা শুধু মুখে বলেছেন আমি আওয়ামী লীগ করি আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার মা দেশে ফিরে আসবেন আমরা দেশে ক্ষমতায় আসলে কারো কোন অস্তিত্ব রাখবো না।













