মহেশখালী ও টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহত
কক্সবাজারের মহেশখালী ও টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহত হয়েছেন।পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।রোববার ভোরে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের শাপলাডোবায় এবং টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দরগারছড়া এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- মহেশখালী উপজেলার শাপলাডোবা এলাকার মাহমুদুল করিম ও টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম সিকদারপাড়া এলাকার ইমরান ওরফে পুতুইয়া মিস্ত্রি।
মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, ভোরে একদল সন্ত্রাসী ছোট মহেশখালীর পাহাড়ে গোপন বৈঠক করছে পুলিশের কাছে এমন খবর আসে। পরে দ্রুত পুলিশ ওই স্থানে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে অন্য সন্ত্রাসীর পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ আহতাবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আট বন্দুক, ২০ রাউন্ড গুলি দুটি কিরিচ ও দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। বন্দুকযুদ্ধে আরও ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই দীপক, এএসআই সঞ্জিব, কনস্টেবল আফতাব, কনস্টেবল ইব্রাহিম ও মহিউদ্দিন। আহতদের মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। কনস্টেবল আফতাবের আঘাত বেশি হওয়ায় তাকে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে টেকনাফ থানার ওসি রণজিত কুমার বড়ুয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ভোররাত ৪টার দিকে উপজেলার দরগারছড়ায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
তখন ঘটনাস্থল থেকে ইমরানের গুলিবিদ্ধ লাশ, দুটি অস্ত্র, গুলি ও সাত হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ওসি।








