দিনাজপুর চিরিরবন্দরে শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্বালন
এনামুল মবিন(সবুজ),জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুরঃ
বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত দিন গণহত্যা দিবসে নিহত শহীদদের স্মরণে ও ভয়াল কালো রাত্রি ২৫শে মার্চ উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে সন্ধ্যায় মোমবাতির আলোয় উদ্ভাসিত হলো চিরিরবন্দর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন করে চিরিরবন্দর উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় শহীদ মিনারের পাদদেশে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)আয়েশা সিদ্দিকা,চিরিরবন্দর সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইরতিজা হাসান, কৃষি কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান,চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)সুব্রত কুমার সরকার,সমবায় অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সামজেদুল ইসলাম,বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)আয়েশা সিদ্দিকা বলেন,আজ ২৫ শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’। মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাক-হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির উপর নির্বিচারে চালায় বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা। ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ ছিল বাঙালির একটি প্রজন্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এক নারকীয় পরিকল্পনা।
সুনির্দিষ্ট কিছু মানুষকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেনারেল টিক্কা খান বলেছিলেন, ‘আমি পূর্ব পাকিস্তানের মাটি চাই, মানুষ চাই না’। ফলশ্রুতিতে বাঙালি জাতির জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় ভয়াল কালরাত। ২৫ শে মার্চ পাক-হানাদার বাহিনী স্বাধীনতাকামী বাঙালির উপর দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়লে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার সর্বস্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।









