কথিত বড় ভাইয়ের নির্দেশেই খুন হন ছাত্রলীগ নেতা মামুন

অক্টোবর ০২ ২০১৮, ২৩:৩০

Spread the love

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কথিত বড় ভাইয়ের নির্দেশেই খুন করা হয় চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ নেতা মামুন আল রশিদ সাগরকে। হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল ৫ জন। হত্যাকারীদের সংগঠিত করেছে ওমর (২০) নামে অপর ছাত্রলীগ কর্মী।
সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় ওমরকে। গ্রেফতারের পর ওমর কর্ণফুলী থানা পুলিশকে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

গ্রেফতার ওমর কর্ণফুলী থানাধীন শাহ মীরপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মকবুল আহমেদের ছেলে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার ওমরকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর তাকে পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মামুন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে খুনের বিস্তারিত বর্ণনা দেন ওমর। প্রকাশ করেন হত্যায় জড়িত এবং নির্দেশদাতা কথিত বড় ভাইয়ের নামও। এ হত্যাকাণ্ডে নিজেও সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সে। তার সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আলী নূর, আজম, আলী আজগর ও শাহনূর।
পরে ওমরের দেয়া তথ্যে মঙ্গলবার বিকেলে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কিরিচসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর পুলিশ জড়িত একজনকে গ্রেফতার করলেও এখনও আত্মগোপনে নির্দেশদাতাসহ বাকি আসামিরা।

কর্ণফুলী থানার ওসি মো. আলমগীর যুগান্তরকে জানান, ‘মামুন হত্যায় ওমর নামে একজনকে কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অভিযুক্ত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলেছে।’
গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠানের শাহ মীরপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা করা হয় মামুন আল রশিদ সাগরকে। এ ঘটনায় মামুনের বন্ধু আজিজ আহত হন। মামুন বড়উঠান এলাকার আবু তাহেরের ছেলে ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা।
এ ঘটনায় ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে মামুনের ভাই মো. ইয়াছিন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এই বিভাগের আরো খবর


আরো সংবাদ ... আরও