সায়েস্তাবাদে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে কখনো কখনো পলেস্তার খসে পড়ে পাঠদানকারি শিক্ষার্থীদের গায়ে!

অক্টোবর ২৫ ২০১৮, ২২:০৭

Spread the love

আবুল বাসার: ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান। কখনো কখনো পলেস্তার খসে পড়ে পাঠদানকারি শিক্ষার্থীদের গায়ে। ভবন ভেঙ্গে পড়ার আতংক নিয়ে ক্লাস করছে বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে চুড়ামন সৈয়দ কাওছার হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ভবনের বর্তমান অবস্থাই খুবই নাজুক। ভবন ধসে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ও শিক্ষকরা।শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ড চুড়ামন বাজার সংলগ্ন ১৯৭৭ সালে সৈয়দ কাওছার হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান বিদ্যালয়ের ভবনে তিনটি ক্লাস রুম, একটি অফিস কক্ষ থাকলেও প্রতিনিয়ত ছাদ থেকে ধক্ষসে পড়ছে। খুবই ভয়ে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই বিদ্যালয়টি স্থানীয় একমাত্র শিক্ষার বাহন হলেও এখানকার পরিবেশ ও পরস্থিতি মোটেও সন্তোষ জনক নয়। কারন এখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রীর অভাব। এছাড়া বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত নাজুক। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কারী জানান, ১৯৭৭ সালে নির্মান করা স্কুল ভবনটির ছাদে ফাটর দেখা দেয়। আমরা খুবই ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করে যাচ্ছি। এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রীর অভাব যেহেতু যথেষ্ট শিক্ষা দেয়া যাচ্ছে না। আমাদের বিদ্যালয়ের সরকারী অনুদানের পর্যাপ্ততা নেই। আমরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তবে বিদ্যালয়ের ভবনের যে ফাটল রয়েছে তা যেকোন সময় ধক্ষসে পড়ে ঘটতে পারে যে কোন মর্মান্তিক ঘটনা। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বাজেট আসেনি। তাই আমরা চাই আমাদের বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। যাতে এখানে সুস্থ্য ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ অব্যাহত থাকে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আঃ লতিফ মৃধা জানান, আমাদের বিদ্যালয়টি গরিব এলাকার অবস্থিত ফলে অনেক গরীব শিক্ষার্থী টাকা পয়সার অভাবে লেখাপড়া করতে পারে না। আমাদের বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ভিতর ও বাহির দিক অবলোকন করলে দেখা যাবে বিদ্যালয়ের এই করুন অবস্থা। অতএব আমি আশা করি বিদ্যালয়ের ভবনের উন্নয়নের জন্য অতি দ্রুত সরকারী বাজেট পাশ করা হক। এ বিষয় বরিশাল জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জানান, এই বিদ্যালয়টি ২০১৫ সালে রেজিষ্ট্রার ভুক্ত হয়েছে। সরকারী বাজেট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের মেরামতের কাজ চলতেছে। এবং পর্যায়ক্রমে সবগুলো বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ হবে।

এই বিভাগের আরো খবর


আরো সংবাদ ... আরও