রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের সীমানা নির্ধারণসহ বিভিন্ন ইসুতে ১৪ গ্রামের মানুষের বিশাল আলোচনা অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর ২৭ ২০২৬, ১৪:৪১

Spread the love

রূপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলায় রূপগঞ্জ উপজেলায় কায়েতপাড়া ইউনিয়নে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের সীমানা নির্ধারণ এবং অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ ও জমির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে বিকল্প জমি বা প্লট আদায়ের দাবিতে দুই ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের অধিবাসীদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার মাঝিনা আহমাদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ‘পৈতৃক ভিটা মাটি সংরক্ষণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় রূপগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত ১৪টি গ্রামের শতাধিক সাধারণ জনগণ, ভুক্তভোগী জমির মালিক এবং স্থানীয় অধিবাসীরা উপস্থিত হয়ে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলসিঁড়ি প্রকল্পের কারণে স্থানীয় অনেক অধিবাসী তাঁদের পৈতৃক ভিটা-মাটি ও কৃষিজমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বক্তারা স্পষ্টভাবে তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করেন: ১. জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট সীমানা (ডিমার্কেশন) অনতিবিলম্বে নির্ধারণ করতে হবে। ২. অধিগ্রহণকৃত সব জমির জন্য বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী উপযুক্ত ও ন্যায্য মূল্য প্রদান করতে হবে। ৩. যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাঁদের পুনর্বাসনের স্বার্থে আনুপাতিক হারে বিকল্প জমি বা প্লট বরাদ্দ দিতে হবে।
‘পৈতৃক ভিটা মাটি সংরক্ষণ পরিষদ’-এর নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঐক্যবদ্ধ। অবিলম্বে যদি এসব যুক্তিসঙ্গত দাবি পূরণ করা না হয়, তবে ১৪টি গ্রামের অধিবাসীদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর সামাজিক ও আইনি কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উক্ত আলোচনা সভায় ‘পৈতৃক ভিটা-মাটি সংরক্ষণ পরিষদ’-এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পেশাজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তব্য রাখেন ও সংহতি প্রকাশ করেন— ব্যাংকার আবু বক্কর সিদ্দিক, হোসেন ব্যাপারী, পেশকার শামসুদ্দিন, রফিকুল ইসলাম রফিক, দলিল লেখক গুলজার হোসেন, আহসান উল্লাহ মাস্টার, অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো খবর


আরো সংবাদ ... আরও