সাইনবোর্ড সর্বস্ব হওয়া স্বত্তেও এমপিওভুক্তি হয়েছে পঞ্চগড়ের নতুনহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ
যদিও সাইনবোর্ড ছাড়া আর কিছুই নেই সেই কলেজের। পতিত সেই মাঠে কলেজের কোনো ভবন, গেট বা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অস্তিত্বের দেখা মেলেনি।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, এমপিওভুক্তির খবর পেয়ে হঠাৎ করেই আগের রাতে স্থাপিত হয়েছে ওই কলেজের সাইনবোর্ড। সে রাত থেকেই কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক ইট গেঁথে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
এক রাতেই নির্মিত এমন ভুঁইফোড় কলেজের সাইনবোর্ড দেখে বিস্মিত হয়েছেন এলাকাবাসী। বিষয়টি ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।উক্ত কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন পঞ্চগড় বিসিকনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ দেলদার রহমান।
এ বিষয়ে তিনি জানান, তিনি নতুনহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং তার স্ত্রী শামীমা নাজনীন অধ্যক্ষ।
কলেজের ভবন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কোথায় এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগে অনত্র টিনশেড ঘরে পাঠদান চলত। বর্তমানে কলেজটির ২ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।
তাহলে রাতারাতি ধানক্ষেতের পাশে ওই সাইনবোর্ড ও ভবন কেন নির্মাণ করা হলো প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার ঘর আমি যখন খুশি তখন উঠাব। রাতারাতি একটি কলেজ নির্মাণ হয় নাকি? কলেজটির অস্তিত্ব রয়েছে বলেই সরকার একে এমপিওভুক্ত করেছে।
দেলদার রহমান দাবি করেন, গত বছরের এসএসসিতে এ কলেজের ৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তার প্রমাণও রয়েছে তার কাছে।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার রায় সিংহ বলেন, এমপিওভুক্তির বিষয়ে তো আমাদের কোনো ভূমিকা নেই। এমপি-মন্ত্রী ও সচিবরা যা করবেন তাই আমরা পালন করছি। এমন ভুঁইফোর কলেজ কিভাবে এমপিওভুক্তির তালিকায় এলো তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই ভালো বলতে পারবেন।
উল্লেখ্য, পঞ্চগড় জেলার ৫ উপজেলার মোট ৪টি কারিগরি কলেজ এমপিওভুক্তির তালিকায় এসেছে।উৎস-সময়ের কন্ঠস্বর








